WBCS 2021 Mains English Question (Paper II)

WBCS 2021 Mains English Question (Paper II)

1. (a) Write a letter to the Manager of a theatre enquiring about showing a movie to the children of a school in the afternoon. (Write the letter within 150 words and use A, B, C instead of name and address.)


(b) Last Sunday you flew from Delhi to Kolkata. On arriving home you discovered that you had left your cabin bag on the plane. Write a letter to the Airline describing about the bag. (Write the letter within 150 words and use A, B, C instead of name and address.)

2. Draft a report on the poor conditions of roads and public parks in your locality. 

3. Write a composition on any one of the following topics:

(a) The Civil Rights Movements and the Effects

(b) How travelling the world affects life and personality

(c) Telling fairy tales to children : The cause and effect

4. Write a précis of the following passage and add a suitable title:

If the West was considered the place of historical progress and scientific development, then the Orient was deemed remote from the influence of historical change. ‘Orientalism assumed an unchanging Orient’, it is argued. It was considered to be essentially no difference in the twelfth century than it was in the eighteenth, trapped in antiquity far behind the modern developments of the ‘Enlightened’ West. Conceived in this way, the Orient was often considered ‘primitive’ or ‘backwards’. A Westerner travelling to Oriental lands was not just moving in space from one location to the other; potentially they were also travelling back in time to an earlier world. Hence in Orientalism, the Orient exists as a timeless place, changeless and static, cut off from the progress of Western history.

5. Translate the following passages into English: 

বাড়িটা তাঁর বাড়ির কাছেই। যেতে আসতে সুজাতা বাড়িটা অনেকবারই দেখেছেন, কখনও ঢোকেননি, কার বাড়ি তা জানেন না। পুরনো দিনের দোতলা বাড়ি, সামনে টানা বারান্দা, বাড়ির ওপরে মেট্রো নক্শা, গায়ে লেখা পূর্ব-গঙ্গা নগর, সম্ভবত মালিকের গ্রামের নাম। সুজাতার চোখের সামনে বিশ বছরে বাড়িটার চেহারা কলকাতার মত হয়ে গেল। খানিকটা নতুন ঝকঝকে, এনামেল রঙে উদ্ধত, জানালার নীচে এরারকুলার। খানিকটা জীর্ণ, পলেস্তারা খসা, জানালায় শাড়িকাটা ময়লা পরদা। নীচে রাস্তার সামনে ঘরে ঘরে ধোবিখানা, হোমিওপ্যাথি ওষুধের দোকান, রেডিও মেরামতি দোকান। শরিকে শরিকে ঐশ্বর্য ও দারিদ্র্য ভাগ হয়ে গেছে, বোঝা যায়।

অন্ধকার প্যাসেজ পেরিয়ে শরিকি উঠোনের পাশে একটা বড়ো ঘর। বাড়িটার পেছন দিক এটা। সামনে একটা অযত্নের আতাগাছ। ঘরটার দেওয়াল ও ছাতের আস্তর খসা, মেঝের সিমেন্ট ওঠা। একটা বড়ো তক্তপোশ। আলমারিতে ময়লা ও অব্যবহৃত আইনের বই, আলমারির তলায় জং।