Translation

In this chapter, we will learn how to translate Bengali passages into English. Later, we will translate a few passages.

বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করার সাধারণ কিছু নিয়ম—

০১—বাক্যটিকে ভালভাবে পড়ে প্রথমেই তার অর্থ ও ভাব বুঝতে হবে। কারণ, আমরা কখনই আক্ষরিক অনুবাদ করব না, এতে বাক্যের ভাব ও রসবোধ নষ্ট হবার সম্ভবনা থাকে। তাই, আমরা ভাবানুবাদ করব। লেখা হবে সরল, সাবলীল এবং শ্রুতিমধুর

০২—লেখার সুবিধার জন্য, প্রয়োজনে আমরা কোনও দীর্ঘ বাক্যকে দুটি ভাগে ভাগ করে অথবা, দুটো বাক্যকে জুড়ে একটি বাক্যে লিখতে পারি।

০৩—অজানা শব্দের ব্যবহার করা যাবে না। এতে মূল ভাব বদলে যেতে পারে। এক্ষেত্রে বানান ভুলের সম্ভবনাও থাকে।

০৪—বাক্যের Tense-এর খেয়াল রাখতে হবে। অনুবাদে ক্রিয়ার কাল কখনও পরিবর্তন হয় না

০৫—জটিল বাক্যে (Complex sentence) -এর ক্ষেত্রে Principal Clause যে tense-এ থাকবে, বাকি clause গুলিও একই tense-এ লিখতে হবে।

০৬—বাংলা অনুচ্ছেদে অতীতের ঘটনা (Past incident) অনেকসময় Present Tense-এ লেখা থাকে, এক্ষেত্রে ইংরেজিতে Past Tense-এই লিখতে হবে।

০৭—বাংলা অনুচ্ছেদে কোনও বাক্য যদি কাছাকাছি ভবিষ্যতের (Near Future) ঘটনার বিবরণ থাকে তবে সেই ঘটনাকে Present Indifinte বা Present Continuous Tense-এ লিখতে হবে।

০৮—কোনও বাক্যে যদি অতীতের কোন ঘটনার স্মৃতিচারণ করা থাকে তবে সেই বাক্যটিকে ইংরেজিতে Present Perfect Tense-এ লিখতে হবে।

০৯—কোনও বাক্যে যদি সম্প্রতি ঘটা (Recently, Lately, Of late,) কোন ঘটনার বর্ণনা করা থাকে তবে সেই বাক্যটিকে ইংরেজিতে Present Perfect Tense-এ লিখতে হবে।

১০—কোনও বাক্যে যদি অতীতের কোন ঘটনার ঘটার সময় বা দিন বা বছরের উল্লেখ থাকে তবে সেই বাক্য ইংরেজিতে Past Indefinite Tense-এ লিখতে হবে।

১১—অনুচ্ছেদে কোনও শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ মনে না এলে ঘাবড়ানোর প্রয়োজন নেই, বাক্যটির ভাব বুঝে কাছাকাছি কোন জানা শব্দ লিখলেও চলবে।

১২—বাংলাতে যতগুলি অনুচ্ছেদ থাকবে, ইংরেজিতেও ততগুলি অনুচ্ছেদে লিখতে হবে।

১৩—প্রবাদ বা প্রবচনের ক্ষেত্রে আক্ষরিক অনুবাদ না করে ওটার সমার্থক English Proverb ব্যবহার করায় শ্রেয়।

১৪—কোনও বাক্যে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ উক্তি থাকলে ঠিক সেভাবেই Direct বা Indirect Speech-এ ইংরেজিতে অনুবাদ করতে হবে।

১৫—বাক্যের ভাবানুসারে সঠিক Punctuation Mark -এর ব্যবহার করা খুবই প্রয়োজন। কারণ, Punctuation Mark -এর সামান্য ভুলে গোটা বাক্যটির অর্থ একদম বদলে যেতে পারে।।

কিছু করেদেওয়া উদাহরণ—

০১। অরবিন্দ ছিলেন মনীষী। বিদেশি শিক্ষার আলোয় তিনি তার জীবনের সন্ধিক্ষণ চিনতে ভুল করেননি। শুরু থেকেই তার মনের অভ্যন্তরে জন্মেছিল দেশসেবার বাসনা। সিভিল সার্ভিসে যোগ দেওয়া গেল না ঘোড়ায় চড়ার পরীক্ষায় হাজির ছিলেন না বলে। একেই কি বলে ভবিতব্য? প্রথম জীবনে পরাধীন দেশকে শৃঙ্খলামুক্ত করতে ব্রতী হন তিনি। আলিপুর বোমা মামলায় তাকে জেলে কাটাতে হয় এক বছর, সেই সময় তার জীবনে আসে টার্নিং পয়েন্ট। তিনি কারাগারে দর্শন পেলেন নারায়নরুপী শ্রীকৃষ্ণের। কারাগার হয়ে উঠল তাঁর কাছে আশ্রম। পরে মঞ্চে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করেন, শুধুমাত্র স্বাধীনতাই আমাদের লক্ষ্য নয়। তার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে মানবজাতির চেতনা। যা সার্বজনীন হওয়া প্রয়োজন। হিংসার পথে তিনি স্বয়ং আর হাঁটতে চাইলেন না। তা বলে পরাধীন দেশকে স্বাধীন দেখার বাসনা তাঁর মোটেই কমেনি। বিপ্লবী আন্দোলন থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেললেও তিনি জানতেন তাঁর শুরু করা কাজ পূর্বনির্ধারিত পথে এগিয়ে যাবে। এ নিয়ে তাঁর মধ্যে কোন হতাশা বা ব্যর্থতার মনোভাব ছিল না। (PSC Miscellaneous Mains, 2019)

Aurabindo, the great saint, made no mistake to find the climactic stage of his life even in the shade of western education. From the very first, he had raised the urge to serve the nation within his soul. The Civil Services slipped due to his absence in the horse-back-ride test. Is this called destiny? In his early life, he made himself promised to unchain India. He came across the first turning point of his life when he had been in jail for one year on the accusation of the Alipore Bomb Conspiracy. He saw through lord Krishna as Narayana there, and the bars turned into an ashram to him. Later, he cited that not only independence was the focus but the awareness of the people must be counted as well. A universal one. He himself refused to follow the path of violence. But, the urge he had for the nation hardly had a fall. Notwithstanding his active detachment from the Revolutionary Movement, he himself would know that the path he drew would definitely find its destiny, ipso facto, he had had no dejection nor downfall to mark with.

০২। একবিংশ শতকে পদার্পনের পর প্রায় দু’দশক অতিক্রান্ত ভারতীয় বিজ্ঞানের সাফল্য সাহিত্য শিল্প আধুনিকতা পিছনে ফেলে উত্তরাধুনিকতার দিকে নাকি ধাবমান । কিন্তু ভারতের সামাজিক মনোবৃত্তির গতি প্রকৃতির একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষায় যে ছবি প্রতীয়মাণ তা উদ্বেগজনক । পশ্চিমবঙ্গ সহ ছ’টি রাজ্যে কিশোরদের মধ্যে করা একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষার ফলাফল জানাচ্ছে ৫৯ শতাংশ কিশোরের বিশ্বাস গেরস্থালি সামলানোই মেয়েদের যোগ্য কাজ, ৫৪ শতাংশের ধারণা বাড়ির শেষ সিদ্ধান্তের মালিক হওয়া উচিত ছেলেদেরই, ৩১ শতাংশ মনে করে ভর্ৎসনার জন্য মেয়েদের চপেটাঘাত করা যেতেই পারে এবং প্রতি তিনজন কিশোরের মধ্যে এক জনের মত, ধর্ষণের পরিস্থিতি তৈরি করে মহিলারাই সমীক্ষাটির এই ফলাফলে যা সবিশেষ উদ্বেগের বিষয় তা হল প্রাচীনতায় আক্রান্তদের বয়স ১৫ থেকে ১৮ র মধ্যে ভবিষ্যতের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক, যাদের উপর ন্যস্ত হবে সমাজের অগ্রগতির ভার । (WBCS)

It has been almost two decades since the advent of the twenty-first century. It is said that the success of Indian-science has left the modernization of literature and industrialization behind and overtaken onto neo-modernization. But, a recent statistics made all blunt with its report of the characteristics of Indian social attitude. It says, besides West Bengal, six other states has witnessed the report of a survey went through teenagers that almost three score per cent among them believe that making home is the main objective of women. Fifty four per cent went with patriarchy, they say, men should be the ultimate decision maker at home. Thirty one per cent have a belief that to rebuke women they are easily be lashed. And, lastly, one out of three thinks girls themselves are responsible for being raped. The survey concludes that teenagers between fifteen and eighteen are affected with retrospective ideas, and they are the ones who are to get the responsibility to run the society in near future, what is truly a matter of anxiety.

০৩। গ্রামের নাম ধারাগোল। সেখানে মৃত্যুঞ্জয় মুদির দোকানে বসিয়া তামাক খাইতে ছিল, আর অন্যমনস্ক হইয়া নানা কথা ভাবিতে ছিল। কিছু দূরে মাঠের ধার দিয়া একজন সন্ন্যাসী চলিয়া গেল। প্রথমটা মৃত্যুঞ্জয়ের মনোযোগ আকৃষ্ট হইল না। একটু পরে হঠাৎ তাহার মনে হইল, যে লোকটা চলিয়া গেল এই তো সেই সন্ন্যাসী। তাড়াতাড়ি উঠুকাটি রাখিয়া মুদিকে সচকিত করিয়া একদৌড়ে সে দোকান হইতে বাহির হইয়া গেল। কিন্তু, সেসন্ন্যাসীকে দেখা গেল না।

তখন সন্ধ্যা অন্ধকার হইয়া আসিয়াছে । অপরিচিত স্থানে কোথায় যে সন্ন্যাসীর সন্ধান করিতে যাইবে তাহা সে ঠিক করিতে পারিল না। দোকানে ফিরিয়া আসিয়া মুদিকে জিজ্ঞাসা করিল, “ঐ-যে মন্ত বন দেখা যাইতেছে, ওখানেকী আছে।”

The village is called Dharagoal. In a grocery shop there, Mrityunjay was smoking hookah along with divergent thoughts. That time, a hermit passed along the nearby field. At first, barely did he reckon the recluse; but a few moments later, Mrityunjay realized that, that was the hermit whom he had gone after. Laid the hookah down he speedily left the shop which astonished the grocer to some extent. But, unfortunately, the hermit was not seen.

Dusk had set in by that time. Where to find that hermit in such an unknown village was hard to make the mind up for him. Returning to the shop, pointing towards the large forest he asked the grocer what there was in that forest.

০৪। উত্তর আফ্রিকার অধিকাংশ স্থান জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে সাহারা মরুভূমি। এ যেন এক বালুসমুদ্র। যেদিকে চোখ যায়, শুধু বালি আর বালি। এই বিশাল বালু সমুদ্রের ভেতর প্রাণের সন্ধানমেলা ভার। বৃষ্টিপাত এখানে হয়না বললেই চলে। চারিদিকে শুধু বালু রাশির ভিড়। মাঝেমাঝে কিছু কিছু জায়গায় বালির ঢিপি চোখে পড়ে। সাহারায় তাপমাত্রার পরিবর্তন চোখে পড়ার মতন। সকালে যেমন গরম রাত্রে ঠিক তেমন ঠাণ্ডা। দিনের বেলা উষ্ণ বালি এতটাই গরম হয়ে যায় যে, এর উপর পা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ফোস্কা পড়ে যায়।

The Sahara, a featureless desert, covers across most of North Africa. The sands seems an ocean, full of sand. The farthest one can see here with bare eyes, shows nothing but sand. Naturally, this huge sand-covered area nurtures no life. It almost never rains here. There are a few dunes one can find here and there in the sands. The change in temperature is quite noticeable. As it rises in the morning, so does it fall during the night. The scorching heat makes the sand almost untouchable in the daytime, as though, if one touches it with barefoot, it will broil one’s skin.

০৫। অফিসারটি উঠে গিয়ে পাশের ঘর থেকে টেলিফোনে কিসব আলোচনা করলেন, বোধয় কোন উপরওয়ালার সাথে। তারপর ফিরে এসে বল্লেন, আপনি যা চাইছেন তার কোনটিই আমার পক্ষে করা সম্ভব নয়। আপাতত আপনাকে কনফেসিং অ্যাকিউসড – মানে, একরারী আসামী হিসাবে কোর্টে পাঠিয়ে দিচ্ছি। সেখানে হাকিমের কাছে সব কথা খুলে বলবেন।

Having gone into the anteroom, the officer had a solo conversation over the telephone, probably with any superior one. Then returning here he said, “It is beyond my arm to entertain any of your requests. For the meantime, I am directing you to the court owing to your confession of the guilt. There, you will confess alpha and omega before the prosecutor.”

০৬। খ্রিস্টের জন্মের প্রায় পাঁচশো বছর পূর্বে সক্রেটিস এথেন্সে বাস করতেন। তিনি ধনীর ঘরে জন্মাননি এবং প্রকৃতপক্ষে সারাজীবনে তিনি দরিদ্র ছিলেন, কারণ শিশুদের তিনি যা শিক্ষা দিতেন সেজন্য তাদের কাছ থেকে কখনো অর্থ চাইতেন না। তিনি অর্থের জন্য নয় জ্ঞানের প্রতি ভালোবাসার জন্য শিক্ষা দিতেন।

About five hundred years before the birth of Christ, there lived Socrates in Athens. He did not come of a wealthy family and as a matter of fact, he lived a poor life because he never asked for money in return for giving education to the children. He used to teach not for money rather he would do that from the love for knowledge.

০৭। বাড়িটা তাঁর বাড়ির কাছেই। যেতে আসতে সুজাতা বাড়িটা অনেকবারই দেখেছেন, কখনো ঢোকেন নি, কার বাড়ি তা জানেন না। পুরনো দিনের দোতলা বাড়ি, সামনে টানা বারান্দা, বাড়ির ওপরে মেট্রো নকশা, গায়ে লেখা পব-গঙ্গা নগর, সম্ভবত মালিকের গ্রামের নাম। সুজাতার চোখের সামনে বিশ বছরের বাড়িটার চেহারা কলকাতার মত হয়ে গেল। খানিকটা নতুন ঝকঝকে, এনামেল রঙে উদ্ধত, জানালার নিচে এয়ারকুলার। খানিকটা জীর্ণ, পলেস্তার খসা, জানালায় শাড়িকাটা ময়লা পর্দা। নিচে রাস্তার সামনে ঘরে ঘরে ধোবিখানা, হোমিওপ্যাথি ওষুধের দোকান, রেডিও মেরামতী দোকান। শরিকে শরিকে ঐশ্চর্য ও দারিদ্র্য ভাগ হয়ে গেছে, বোঝা যায়।

অন্ধকার প্যাসেজ পেরিয়ে শরিকী উঠোনের পাশে একটা বড় ঘর। বাড়িটার পেছন দিক এটা। সামনে একটা অযত্নের আতগাছ। ঘরটার দেওয়াল ও ছাতের আস্তর খসা, মেঝের সিমেন্ট ওঠা। একটা বড় তক্তপোশ। আলমারিতে ময়লা ও অব্যবহৃত আইনের বই, আলমারির তলায় জং। (WBCS Mains, 2021)

The house is just a stone’s throw from Sujata’s; hence, often did she notice it whenever she passed by, yet she never had a way in, and hardly knows who it belongs to either. It is a two-storeyed retro house with a lengthening porch before it and a kind of metro design is visible on the upper side. The house was tied with Purba-Ganga Nagar which is likely be named after the landlord’s village. Sujata has witnessed the transformation of the house into Kolkata’s airs within the past score years. Some of its portion reflects newish cleanness, and elates with enamel appearance. Air coolers are also noticeable under the windows. Dirty curtains made from sharees are there on the cracked and plaster-flaked windows. By the lane down are rows of laundries, homoeopathic pharmacies and shops for repairing radios. It is quite evident that how the wealth and the penury are clearly bifurcated among the coheirs.

At the exit of the dark passage is a common yard and a large room is thereby the yard. It is the back of the house.   Right there stands a left-alone custard-apple tree. The sides and roof of the room show the erosion of its layers in places; the floor has lost its cement. A big wooden bed is there. Unturned law books with dust on them are in the almirah, and the lock on it has grown patches of rust.